Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home » ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং » ব্লগিং সম্পর্কে যত ইনফরমেশন

ব্লগিং সম্পর্কে যত ইনফরমেশন

বর্তমান সময়ে মত প্রকাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্লাটফরমের নাম হলো ব্লগিং। ব্লগিং সম্পর্কে জানি না এমন লোকের সংখ্যা খুব কমই আছে। অনেকেই আছে তারা ব্লগ সম্পর্কে জানে কিন্তু পুরোটাই ভুল জানে।

ফাস্ট ওয়ার্ল্ড কান্ট্রিগুলোতে ব্লগিং অত্যন্ত জনপ্রিয়। প্রায় সব ধরনের মানুষ কম বেশি ব্লগিং এর সাথে জড়িত। বেশির ভাগ মানুষ একে বেছে নিয়েছে পেশা হিসেবে আবার কেউ কেউ একে বেছে নিয়েছে নেশা হিসেবে।

আমাদের দেশে ব্লগিং নিয়ে রয়েছে নানা ধরণের কথাবার্তা। অনেকেই মনে করে থাকে ব্লগিং মানেই হচ্ছে ইসলাম বিরোধী কথাবার্তা। ব্লগিং যারা করে তারা নাস্তিক ইত্যাদি ইত্যাদি।

কিন্তু বিষয়টা মোটেও এমন নয়। অনেকেই জানে না যে ইসলাম নিয়েও ব্লগ বানানো যায়।

আজ আমরা ব্লগিং সম্পর্কে খুঁটি নাটি সবকিছু জানবো।

Some Information About Blogging

ব্লগ কি?

ব্লগিং কি তা জানার আগে জানা দরকার ব্লগ কি?

নিজের মতামত প্রকাশের জন্য মানুষ বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে থাকে তার মধ্যে অন্যতম হলো ইন্টারনেট এবং সংবাদপত্র। ইন্টারনেট জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে বেশি স্থান দখল করে আছে ব্লগ।

পৃথিবীতে প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে। তাদের মধ্যে ব্লগ এর নাম শুনেনি এমন লোক আছে গুটি কয়েক।

ব্লগ (Blog) মূলত একটি ইংরেজি শব্দ, অনেকেই একে ভার্চুয়াল ডায়েরী ও বলে থাকেন। ব্লগের পূর্বের নাম ছিল ওয়েবব্লগ (weblog), সর্বপ্রথম জোম বার্গার নামের এক ব্যক্তি weblog নামটি নিয়ে আসেন।

পরবর্তীতে পিটার মেরহোলজ weblog এর সংক্ষিপ্ত নাম দেন blog. বর্তমানে এই শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে এবং মানুষ তার নিজের মতামত কাগজের পরিবর্তে ব্লগে লিখতে শুরু করে। মূলত এভাবেই ব্লগ চলে এসেছে আমাদের কাছে। প্রতিদিন হাজার হাজার নিত্য নতুন ব্লগ তৈরি হচ্ছে।

প্রতিটি মানুষের নিজস্ব কিছু বক্তব্য আছে, নিজস্ব কিছু মতামত আছে, নিজের জীবনের গল্প অনেকেই লিখতে পছন্দ করে। ব্লগ ব্যবহার করে আপনার কথাগুলোকে মানুষের সামনে খুব সহজেই তুলে ধরতে পারেন। ফেসবুক আসার পর থেকে সে কাজটি আরও বেশি সহজ হয়ে গেছে।

ব্লগে লেখার মাধ্যমে আপনার মতামত, চিন্তাচেতনা, আপনার প্রতিদিনের কাজ, আপনার ভবিষ্যৎ ভাবনা, আপনার পরামর্শ ইত্যাদি খুব সহজেই সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে পারেন। আপনার ব্লগ পড়ে অনেকেই উৎসাহিত হতে পারে, আবার অনেকে আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শও দিতে পারবে।

আসুন এখন আমরা জানবো ব্লগিং কি?

ব্লগিং কি?

এতক্ষণ আমরা জানলাম ব্লগ কি, এবং ব্লগের মাধ্যমে কি করা যায়? এখন আমরা জানবো ব্লগিং কি? কোন একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার মতামত, চিন্তাধারা, পরামর্শ, আপনার লেখা ইত্যাদি পাঠকদের জন্য তুলে ধরাকে ব্লগিং বলে। সহজ কথায় বলা যেতে পারে, ওয়েবসাইটে যা লেখালেখি হয় তাই ব্লগিং।

ব্লগিং বা ওয়েব এ লেখালেখি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হতে পারে, যেমন- ইসলামের কথা, লাইফ স্টাইল, ফ্যাশন, স্বাস্থ্য কথা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা, মতামত, পরামর্শ, রাজনীতি, অর্থনীতি, রান্নার রেসিপি, কৃষি, আপনার জীবন কাহিনী ইত্যাদি।

ব্লগার কারা?

এতক্ষণ আমরা ব্লগ এবং ব্লগিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানলাম, এখন আমরা জানবো ব্লগার কি বা কারা? আমাদের দেশে ব্লগার কথাটি নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। অনেকেই মনে করে থাকেন ব্লগার মানেই নাস্তিক, এরা আল্লাহকে বিশ্বাস করে না। এরা ইসলাম এর বিরুদ্ধে কথা বলে। বিষয়টা এমন নয়।

আমি  এই লেখাটি যেখানে লিখলাম সেটা হলো ব্লগ আর এই কাজটির নাম ব্লগিং এবং আমাকে বলতে পারেন ব্লগার। সুতরাং ব্লগ যে লেখা লেখি করে তাকেই বলা হয় ব্লগার। নাস্তিকতার সাথে ব্লগ বা ব্লগারের কোন সম্পর্ক নেই।

জেনে রাখা ভালো, যদি আপনি ইসলামের পক্ষে ব্লগে লেখা লেখি করেন তাহলে আপনি ব্লগার, আবার যদি ইসলাম এর বিরুদ্ধে লেখা লেখি করেন তবুও আপনি ব্লগার, আবার যদি নিরপেক্ষ থেকে অন্য বিষয় নিয়ে লেখা লেখি করেন তবুও আপনি ব্লগার। ব্লগ, ব্লগিং কিংবা ব্লগার নিয়ে আপনার যদি কোন সংশয় থাকে তবে আশা করি তা দূর হয়ে গেছে।

ব্লগ এর প্রকারভেদ

ওয়েব এর জগতে বিভিন্ন ধরণের ব্লগ থাকতে পারে। সবকিছু বিশ্লেষণ করে ব্লগকে মোট ৪ ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। যেমন-

১) সামাজিক ব্লগ

যে ব্লগগুলোতে সমাজের বিভিন্ন বিষয় যেমন- সংস্কৃতি, মানুষের আচার আচরণ, মানুষের চিন্তা ভাবনা, মানুষের কাজ কর্ম, তাদের সামাজিক রীতিনীতি ইত্যাদি নিয়ে লেখা লেখি হয় সেই ব্লগগুলোকে সামাজিক ব্লগ বলা যেতে পারে।

২) ব্যক্তিগত ব্লগ

যে ব্লগে নিজের ব্যক্তিগত বিষয়গুলো স্থান পায় সেগুলোকে মূলত ব্যক্তিগত ব্লগ বলা হয়। ব্যক্তিগত বিষয় যেমন- কেউ যদি নিজের অর্জিত জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা তার ব্লগে তুলে ধরে তবে সেটাকে ব্যক্তিগত ব্লগ বলা যেতে পারে।

৩) এন্টারটেইনমেন্ট ব্লগ

বিভিন্ন সিনেমা, নাটক, শর্ট ফিল্ম, ডকুমেন্টারি, বা বিভিন্ন ভিডিও বা আলোচনার ভিডিও যে ব্লগে পাওয়া যায় সেগুলোকে এন্টারটেইনমেন্ট ব্লগ বলা যেতে পারে।

৪) কোম্পানি বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ

কোন প্রতিষ্ঠানের বা কোম্পানির বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত, কর্মকাণ্ড, ইত্যাদি নিয়ে যে ব্লগগুলো তৈরি হয় ঐ ব্লগগুলোকে কোম্পানি বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ বলা যেতে পারে।

মানুষ যে কারণে ব্লগিং করে

বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হছে গুগল, বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য আমরা গুগলে সার্চ দিয়ে থাকি। তখন গুগল আমাদেরকে অনেক রেজাল্ট দেখায়, সেখান থেকে আমরা আমাদের কাংখিত তথ্য গ্রহণ করে থাকি।

ধরুন আপনার স্বাস্থ্য সম্পর্কে একটি ব্লগ আছে, সেখানে আপনি বিভিন্ন স্বাস্থ্য সচেতন মূলক পোস্ট করেন, যেমন আপনি ধূমপান ছাড়ার কৌশল নিয়ে একটি পোস্ট লিখেছেন আপনার ব্লগে, মানুষ যদি ধূমপান ছাড়ার কৌশল লিখে গুগলে সার্চ দেয় তবে আপনার লেখাটি গুগল ভিজিটরের সামনে তুলে ধরবে।

এতে করে মানুষ আপনার লেখাটি পড়ে উপকৃত হবে। কেউ শখ করে ব্লগ করে, কেউ মানুষকে সাহায্য করার জন্য ব্লগিং করে, কেউ আবার তার মজার মজার অভিজ্ঞতা মানুষের সাথে শেয়ার করে মজা পায়। আপনিও শখের বসে, কিংবা মানুষকে কিছু শেখানোর উদ্দেশ্যে ব্লগিং করতে পারেন।

বর্তমানে ব্লগিং করে গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে ঘরে বসে থেকে অনেক টাকা আয় করা সম্ভব। বর্তমানে অনেক ব্লগার টাকা আয় করার জন্য ব্লগিং করে থাকে। বেকার যুবক এই প্লাটফর্ম ব্যবহার করে সাবলম্বি হচ্ছে। আমাদের দেশে অনেক ব্লগার আছে যারা মাসে লক্ষ টাকারও বেশি আয় করছে ব্লগিং করছেন।

ব্লগিং করলে আপনার কি লাভ?

আপনার মনের মাঝে প্রশ্ন আসতে পারে, ব্লগিং ব্লগার ইত্যাদি সম্পর্কে তো বেশ কিছু জানলাম কিন্তু এটা করে লাভ কি? কেন আমি ব্লগিং করবো?

অবশ্যই লাভ আছে, আপনি যদি ইংরেজিতে ব্লগিং করেন তবে আপনার লাভ টা একটু বেশি হবে আবার যদি বাংলায় ব্লগিং করেন তাহলে লাভ টা একটু কম হবে।

বাংলায় ব্লগিং শুরু করলে আপনি হয়তো একজন ভালো লেখক হতে পারবেন, বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে আপনি হয়ে উঠবেন একজন জনপ্রিয় মানুষ।

এভাবে আপনার ব্লগ এর পরিচিতি এক পর্যায়ে বাড়তে থাকবে তখন বিভিন্ন কোম্পানির এডস দিতে পারবেন আপনার ব্লগে, আর এর বিনিময়ে তারা আপনাকে কিছু সম্মানি দেবে।

এছাড়াও গুগল এডসেন্স, ক্লিকসোর, ইনফোলিঙ্কস তো আছেই। তবে বাংলা ভাষায় ব্লগিং করে বড় অঙ্কের টাকা আয় করাটা একটু কষ্টের।

আর আপনি যদি ইংরেজি ভাষায় ব্লগ তৈরি করেন তাহলে তো কোন কথাই নাই। আপনি ইংরেজিতে ভালো লেখা লেখি করতে পারলেই রাতারাতি জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারবেন এবং আয় করারও রয়েছে ব্যপক সম্ভাবনা।

আপনি যদি ভালো ইংরেজি লিখতে পারেন তবে আমার মতে আপনি ইংরেজিতেই শুরু করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু কাজ জানতে হবে, কিছু পড়াশুনা করতে হবে। একটু কষ্ট করলে আপনিও হতে পারেন একজন সফল ব্লগার।

কিভাবে ব্লগিং শুরু করা যায়?

আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা একটা সময় শখের বসে ব্লগিং শুরু করেছিল, তারাই এখন এটিকে তাদের পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তারা ব্লগিং করে যে পরিমাণ টাকা ইনকাম করেন তা আপনি কখনো চিন্তাও করেন নাই। বর্তমানে  ব্লগিং করে টাকা আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে গুগল এডসেন্স

আপনি চিন্তা করুন যে, আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ, কোন বিষয়ে লেখা লেখি করলে আপনি সাচ্ছন্দবোধ করবেন, কোন বিষয়ের উপর আপনার পারদর্শিতা রয়েছে, এসব কিছু চিন্তা করার পর সিদ্ধান্ত নিন।

তারপর কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে শুরু করে দিন ব্লগিং। মনে রাখবেন ব্লগিং শুরু করার পূর্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে যা সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে।

ব্লগিং এর কাজ শুরু করার পূর্বে আপনাকে কিছু কাজ শিখতে হবে, প্রচুর পড়াশুনা করতে হবে, আপনি যে বিষয়টাকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন তা সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান অর্জন করতে হবে।

মনে রাখা জরুরী যে, ব্লগিং করার জন্য আপনি এমন একটি বিষয় বাছাই করলেন যা আপনার পছন্দ নয়, তাহলে ঐ বিষয় নিয়ে কিছুদিন কাজ করার পর আপনার আর ভালো লাগবে না, সুতরাং পছন্দের বিষয় নিয়েই মাঠে নামতে হবে।

ব্লগিং শুরু করার পূর্বে যেসব বিষয় না জানলেই নয়

নতুন ব্লগ তৈরি করার পূর্বে একটি সঠিক এবং কার্যকরী পরিকল্পনার প্রয়োজন। সর্বপ্রথম আপনাকে ব্লগের একটি নাম বাছাই করতে হবে, এটাকে আমরা Domain বলে থাকি। আপনার ব্লগ কি নামে হবে তা সিলেক্ট করাটাই প্রথম ও প্রধান কাজ এবং এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার ব্লগের জন্য এমন একটি নাম সিলেক্ট করতে হবে যেন মানুষ তা সহজেই মনে রাখতে পারে, কঠিন এবং সহজে উচ্চারন করা যায় না এমন নাম সিলেক্ট করা যাবে না। ব্লগের নাম এমন হতে হবে যেন মানুষ ব্লগের নাম দেখলেই কিছুটা ধারণা পায় যে এটি কি সম্পর্কিত ব্লগ।

ব্লগের নাম বা ওয়েবসাইটের নাম কেমন হওয়া উচিৎ তা নিয়ে পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত আলোচনা করবো।

নতুন ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে এসইও (SEO) তথা Search Engine Optimization সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান থাকতে হবে।

মনে রাখবেন, এসইও না জানলে, কিংবা এসইও এর নিয়ম অনুযায়ী ব্লগ তৈরি না করলে আপনি লেখা লেখি করতে পারবেন ঠিকই কিন্তু সেখান থেকে আয় করা অনেক অনেক কঠিন হয়ে যাবে, এমনকি মানুষ আপনার ব্লগটি ওয়েব এ খুঁজে নাও পেতে পারে।

আর মানুষের কাছে যদি আপনার লেখা না পৌঁছায় তবে তাতে আপনার স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

কিভাবে এসইও শিখবেন প্রশ্ন এখন আপনার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। চিন্তার কোন কারণ নেই, এসইও সম্পর্কে আমার লেখা এই আর্টিকেলটি পড়ে নিতে পারেন।

অথবা যুক্ত হতে পারেন বিভিন্ন এসইও গ্রুপে। কিছু জনপ্রিয় এসইও ফোরাম আছে, সেখানেও সময় দিতে পারেন। আবার কিছু ভালো ইনস্টিটিউট রয়েছে সেখান থেকেও প্রশিক্ষণ নিতে পারেন।

পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে, কারণ আপনার ব্লগের প্রচারনা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সহজেই করতে পারবেন।

বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়ার নাম হলো- ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম, রেডিট ইত্যাদি। এসব সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার জানতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ।

তাহলে বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই, আবার হাজির হব নতুন কোন গুরুত্বপূর্ণ লেখা নিয়ে। ততোদিনে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।

লিখেছেন,

মোঃ নাজমুল হক

 

আরও পড়ুন,

 

*নিচের বাটনে ক্লিক করে আপনার প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন*

Check Also

What is SEO?

SEO কাকে বলে? SEO কেন এবং কাদের প্রয়োজন?

ইতিপূর্বে আমরা সার্চ ইঞ্জিন কি? এবং সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে? এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *