Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net

কি কারণে আপনার ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে?

আমাদের শরীরের ত্বকের লাবন্য এবং সৌন্দর্য ধরে রাখতে আমরা কত কিছুই না করে থাকি। কেউ খাবারে পরিবর্তন নিয়ে আসি, কেউ বিভিন্ন কসমেটিক ব্যবহার করি, কেউ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করি।

কিন্তু আপনি জানেন কি! বেশ কিছু ঘরোয়া উপায় আছে যা মেনে চললে আপনার ত্বক থাকবে সতেজ এবং সুন্দর। আমাদের ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পিছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে, যেমন খাদ্যাভ্যাস, লাইফস্টাইল, কিছু বদ অভ্যাস।

আসুন জেনে নেই, কি কারণে আমাদের ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কি?

Some Reasons Your Skin Has Lost Its Glow

ত্বকের জন্য ক্ষতিকর যেসব খাবার

কিছু কিছু খাবার আছে যা আমাদের শরীরের ত্বক নষ্ট করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। এসব খাবার যেমন মানুষের শরীরের ক্ষতি করে ঠিক তেমনি ত্বকেরও মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে।

আসুন প্রথমে জেনে নেই ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতি নিয়ে আসে যেসব খাবার।

১. মাত্রাতিরিক্ত কফি পান

কফি অনেকেরই খুব প্রিয় একটি পানীয়। বর্তমানে তো গরম কফির পাশাপাশি ঠাণ্ডা বা কোল্ড কফিও পাওয়া যায়। অনেকেই ১৫০ টাকার খাবার খেয়ে ২০০ টাকার কফি পান করে থাকে। যদিও কফি বিভিন্নভাবে আমাদের শরীরের উপকার করে থাকে, শরীরকে সতেজ রাখে।

কিন্তু কফির মধ্যে যে ক্যাফেইন রয়েছে তা আমাদের ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে থাকে। এর কারণে আমাদের শরীরের মধ্যে পানির পরিমাণ কমে যায় এবং শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়।

এর ফলে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে, ত্বকের উপর বলিরেখা দেখা দিতে পারে, আমরা যাকে বয়সের ছাপ বলে থাকি। এভাবে আপনার ত্বকের সাভাবিক লাবন্যতা ও সৌন্দর্য আস্তে আস্তে হ্রাস পেতে পারে।

এছাড়াও শরীরের ভিতরে ক্যাফেইনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে কর্টিসল হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়, যা স্ট্রেস হরমোন নামে পরিচিত। এর কারনেও ত্বকের লাবন্যতা ও সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

২. চিনি ও চিনি জাতীয় খাবার

মিষ্টি কার না পছন্দের খাবার! আমরা সবাই মিষ্টি খেতে অনেক পছন্দ করি। কিন্তু আপনি জানেন কি! চিনি ও চিনি জাতীয় খাবার আপনার সুন্দর ত্বককে নষ্ট করে দিতে পারে?

হ্যাঁ তাই, অতিরিক্ত মাত্রায় চিনি কিংবা চিনি জাতীয় খাবার গ্রহন করলে শরীরে ইনসুলিন হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়, এই অতিরিক্ত ইনসুলিন ত্বকের সৌন্দর্যকে নষ্ট করে দেয়।

তাই প্রতিদিন ১ অথবা ২ চামচ এর বেশি চিনি না খাওয়াই ত্বকের জন্য উত্তম।

৩. জাঙ্ক ফুড

বর্তমানে জাঙ্ক ফুড কম বেশী সবার প্রিয়। কিন্তু আপনি জানেন কি! এই জাঙ্ক ফুড আপনার শরীরে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে?

জাঙ্ক ফুড শরীরের ক্ষতি করার পাশাপাশি আমাদের ত্বকেরও ক্ষতি সাধন করে থাকে। এই ধরনের খাবার খেলে রক্তে গ্লুকোজ এর পরিমাণ মারাত্মকভাবে উঠা নামা করে।

যার ফলে আমাদের ত্বকের সাভাবিক কাজকর্মের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর ফলে ব্রণের মত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এছাড়াও ত্বকের উপর বয়সের ছাপ পড়ে যায়।

তাই ত্বকের লাবন্যতা ধরে রাখতে হলে অর্থাৎ ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে হলে জাঙ্ক ফুডের মত ক্ষতিকর খাবার গ্রহন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

৪. অতিরিক্ত লবণ

খাবারে লবণ কম হলে কিংবা বেশি হলে আমরা খেতে পারি না। শরীরে আয়োডিনের ঘাটতি পূরণের জন্য লবণ খাওয়া জরুরী। কিন্তু এই লবণ যদি বেশী পরিমানে খাওয়ার অভ্যাস হয়ে যায় তবে মারাত্মক বিপদে পড়ে যাবেন।

লবণ না খেলে যেমন আয়োডিনের ঘটতি দেখা দেবে তেমনি বেশী লবণ গ্রহন করলেও রয়েছে নানা ধরনের সমস্যা, যেমন খাবারে অতিরিক্ত লবণ আপনার হাইপারটেনশন এর কারণ হতে পারে।

অনেক গবেষণা হতে জানা গেছে যে, মাত্রাতিরিক্ত লবণ ত্বকের জন্য বেশ ক্ষতিকর। কারণ শরীরের মধ্যে লবনের মাত্রা বেড়ে গেলে ওয়াটার রিটেনশনের হার অনেক বেড়ে যায় যার ফলে শরীরের ত্বকের উপর মারাত্মক প্রভাব পড়।

তাই লবণযুক্ত খাবার যেমন সল্টি চিপস, আচার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকাই ভালো। যারা রাতে দেরিতে খাবার গ্রহন করেন তাদের শরীরে লবণের মাত্রা বাড়তে থাকে তাই ত্বক সুন্দর রাখার জন্য রাতের খাবার সময়মত খাওয়া জরুরী।

৫. চর্বিজাতীয় খাবার

চর্বিযুক্ত খাবার যেমন শরীরের জন্য ক্ষতি নিয়ে আসে তেমনি ত্বকেরও মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে। আমাদের শরীর অতিরিক্ত মোটা হওয়ার জন্য চর্বিযুক্ত খাবার দায়ী, পাশাপাশি আমাদের ত্বকের সৌন্দর্য নষ্টের জন্যও চর্বিযুক্ত খাবার দায়ী।

কারণ, চর্বিতে অধিক পরিমাণে অক্সিডাইজ ফ্যাটি এসিড থাকে, যা শরীরের ভিতর অন্যান্ন উপকারী ফ্যাটি এসিড, প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল ইত্যাদির এক্টিভিটি নষ্ট করে দেয়।

এর ফলে শরীরের পাশাপাশি ত্বকে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব দেখা দেয়। এ কারণে আমাদের ত্বকের লাবন্যতা কমে যেতে শুরু করে।

এছাড়াও খাবারে অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করলে একই ধরনের ক্ষতি হতে পারে। তাই সুন্দর ত্বকের জন্য তেল এবং চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করা জরুরী।

৬. দুধ

বেশ কিছু সংস্থার গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায় যে, অতিরিক্ত দুধ পান করলে ব্রণের সমস্যা বেড়ে যায়। কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা দুধে থাকা অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রোথ হরমোনের কথা বলেন।

শুধু দুধেই নয় বরং দুধ দিয়ে তইরি যেকোনো খাবারই ব্রণের সমস্যা বৃদ্ধি করতে পারে।

৭. কোমল পানীয়

আপনি কি আপনার ত্বককে সুন্দর রাখতে চান? তাহলে আপনার খাবারের তালিকা থেকে কোমল পানীয়কে বাদ দিয়ে দিন আজকেই।

কেননা কোমল পানীয়তে চিনির পরিমাণ বেশি থাকে। মিষ্টিজাতীয় খাবারের কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যায়।

এছাড়াও কোমল পানীয় কিংবা মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি মাত্রায় গ্রহণ করলে ব্রণের সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং চেহারায় বয়সের ছাপ পরে যায়।

তাই ত্বকের লাবন্যতা ধরে রাখতে কোমল পানীয় বর্জন করা জরুরী।

৮. ভাজা-পোড়া খাবার

ভাজা-পোড়া খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কারণ এতে ফ্রী রেডিক্যাল থাকে যা পাকস্থলীর স্বাভাবিক কার্যক্রমকে পরিবর্তন করে দেয়। এমনকি এই ফ্রী রেডিক্যালের কারণে ক্যান্সারও হতে পারে।

এছাড়াও এসব খাবার শরীরের অ্যান্টিঅক্সিজেন কে ধংশ করে দেয়। এসব কারণে ব্রণের সমস্যা দেখা দেয় এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যায়।

৯. রেড মিট

রেড মিট তথা লাল মাংস শরীর কিংবা ত্বক দুটোরই জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। হোক তা গরুর মাংস কিংবা খাসীর মাংস। কারণ রেড মিট এ প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে যা অ্যান্টিঅক্সিজেন কে ধংশ করে দেয়।

ফলে ত্বকের সতেজতা নষ্ট হয়ে যায় এবং ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্যও নষ্ট করে দেয়। তাই সুন্দর ত্বকের জন্য রেড মিট তথা লাল মাংস পরিহার করা জরুরী।

ত্বকের জন্য ক্ষতিকর যেসব বদ অভ্যাস

কিছু বদ অভ্যাস আছে যেগুলো আমাদের স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে পাশাপাশি আমাদের ত্বকেরও সৌন্দর্য ও লাবন্যতাকে নষ্ট করে দিচ্ছে। আসুন জেনে নেই সেই বদ অভ্যাসগুলো কি?

১. মদ্যপান

অ্যামেরিকার একটি গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, পৃথিবীতে প্রতি ৩ জন মানুষের মধ্যে একজন মদ পান করে। এই মদপানের কারণে অকালে মৃত্যু এবং বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয় প্রতি বছর প্রায় ২৮ লক্ষ মানুষ মদ পান করার কারণে মৃত্যু বরন করে।

মদপানের কারণে ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায়, লিভার কে অকেজো করে দেয় এছাড়াও মদপান ক্যান্সারের প্রধান কারন বলে ধারণা করা হয়ে থাকে। যে ব্যক্তি নিয়মিত মদ পান করে তার ত্বকে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

ফলে স্কিনে দাগ পরে যায়, স্কিন কালচে হয়ে যায়, চোখের নিচে দাগ পরে যায়। সুতরাং শরীর এবং ত্বক ভালো রাখতে মদ থেকে দূরে থাকা একান্তই জরুরী।

২. ধূমপান

আমরা সবাই জানি, ধূমপানের কারণে স্ট্রোক হয়। এমনকি ফুসফুসের জটিল জটিল রোগের কারণ হচ্ছে ধূমপান। ধূমপানের কারণে গলার ক্যান্সার হয়।

এসব জটিল জটিল রোগের পাশাপাশি শরীরের চামড়ার উপরেও পরে তার মারাত্মক প্রভাব। ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধীরে ধীরে হ্রাস পায়। তাই ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে হলে ধূমপান পরিহার করা উচিৎ।

ত্বকের জন্য ক্ষতিকর যেসব কাজ

১. ব্রণ খোঁটানো

আমাদের ত্বকের অনেক বেশি পরিচিত একটি সমস্যার নাম ব্রণ। প্রায় প্রতিটি মানুষই এই সমস্যায় ভুগে। স্বাভাবিকভাবেই ব্রণ আমাদের ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে দিয়ে থাকে।

কিন্তু কথা হলো, যখন ব্রণ দেখা দেয় তখন আমরা এটা নিয়ে অনেক বেশি নাড়া চাড়া করে থাকি, অনেকেই খুঁটিয়ে থাকি।

এই অহেতুক নাড়া চাড়া আর খুঁটা খুঁটির কারণে ত্বকে কালো দাগ পড়ে যায়। এর ফলে ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়।

২. বার বার চুলে রং করা

ঘন কালো চুল দেখতে বরাবরই সুন্দর লাগে। কিন্তু আমাদের মাঝে অনেকেই ফ্যাশনের জন্য সেই কালো চুলকে বিভিন্ন কালার করে থাকি। অনেকে প্রতি মাসে ৩-৪ বার চুলের রং পাল্টায়। যার ফলে মাথার ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে।

বারবার চুলে রং করার ফলে একটা সময় চুল পড়ে যেতে শুরু করে। সুতরাং বারবার চুলে রং করলে মাথার ত্বকের ক্ষতি তো হয়ই পাশাপাশি সুন্দর ঘন কালো চুল নিমিষেই পাতলা হয়ে যায় ফলে সৌন্দর্য হারিয়ে যায়।

৩. বেশি বেশি ভ্রূ প্লাগ করা

চোখ সুন্দর দেখা যায় ভ্রূর কারণে। কিন্তু বর্তমানে যুবতীরা চোখের সৌন্দর্য আরও বেশি বৃদ্ধি করার জন্য ভ্রূ প্লাগ করে থাকে। কেউ কেউ মাসে একবার করে আবার কেউ কেউ প্রতি সপ্তাহে করে থাকে।

তবে যারা ঘন ঘন ভ্রূ প্লাগ করে তাদের ভ্রূর নিচের স্কিন ঢিলে হয়ে যায়, ঝুলে পড়ে তখন আর দেখতে সুন্দর লাগে না। তাই চোখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে ঘন ঘন ভ্রূ প্লাগ করা থেকে বিরত থাকা জরুরী।

৪. অনিয়মিত ঘুম

একজন মানুষকে সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিন অন্তত ৬-৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম প্রয়োজন। বর্তমান যুগে অনেকেই এসি ছাড়া থাকতে পারে না। এই এসি ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

অনেকে এসি চালু করে ঘুমিয়ে যায়, এতে করে এসি ত্বক থেকে পানি চুষে নেয় এবং ত্বককে শুষ্ক করে তোলে। তাই এসি চালু করে ঘুমানোর পূর্বে মুখে ক্রিম লাগালে ত্বকের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।

আবার কেউ কেউ রাতে না ঘুমিয়ে দিনের বেলায় ঘুমায় এতে স্বাস্থ্যের ক্ষতি তো হয়ই সাথে ত্বকেরও ক্ষতি হতে পারে। বেশি রাত জাগলে কিংবা রাতে ভালো ঘুম না হলে চোখের নিচে কালো দাগ পরে।

কম ঘুম ব্রণ, অ্যালার্জি ইত্যাদি সহ বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করতে পারে। আর খুব বেশি সময় ঘুমালেও চেহারায় খারাপ প্রভাব পরে। খুব বেশী ঘুমানো কিংবা কম ঘুমানো দুটোই কিন্তু আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতির পাশাপাশি ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে দিতে পারে।

৫. মুখ পরিষ্কার না করা

আমাদের মধ্যে অনেকেই মুখ ভালো করে পরিষ্কার না করেই ঘুমিয়ে পড়ি। মুখ পরিষ্কার না করে রাতে ঘুমানো যদি আপনার অভ্যাসে পরিণত হয় তবে তাতে আপনার ত্বকের বারোটা বেজে যাবে।

তাই ঘুমানোর পূর্বে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নেওয়া উচিৎ। এতে করে আপনার ত্বক সতেজ থাকবে এবং ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট হবে না।

৬. মেকআপ নিয়ে ঘুমানো

অনেকেই রাতে মুখে মেকাপ নিয়ে ঘুমিয়ে যায়। এই অভ্যাসের কারণে আপনার ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে রাতের বেলা ঘুমানোর পূর্বে মুখে লাগান মেকাপ ভালোভাবে পরিষ্কার করে ঘুমাতে যাওয়া উচিৎ।

৭. নখ অপরিষ্কার রাখা

আমরা অনেকেই জানি না যে অপরিষ্কার নখের মাধ্যমে আমাদের শরীরে জীবাণু প্রবেশ করে এর ফলে পেটের অসুখ হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি! এই অপরিষ্কার নখের কারণে আপনার ত্বকের সৌন্দর্যও নষ্ট হয়ে যেতে পারে?

বর্তমানে মেয়েরা হাতের নখ বড় রাখতে পছন্দ করে। ফ্যাশন করার জন্য তা করতে পারেন কিন্তু তাতে পানি কিংবা ময়লা যেন জমে না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

কারণ এতে বাসা বাঁধতে পারে নানা প্রকার জীবাণু এবং পরবর্তীতে নখ থেকে সারা শরীরে ছড়িয়ে পরতে পারে বিভিন্ন জীবাণু যার ফলে হতে পারে বিভিন্ন রোগ বালাই এবং এর পাশাপাশি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে বিভিন্নভাবে।

৮. অতিরিক্ত মাত্রায় ফোন ব্যবহার করা

বর্তমান যুগে মোবাইল ফোন ছাড়া কেউ কোন কিছু কল্পনাই করতে পারে না। মোবাইল ফোন না থাকা মানে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। আমরা অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোন অনেক্ষণ ধরে কথা বলি।

অনেক সময় ধরে মোবাইল ফোনে কথা বললে ত্বক উষ্ণ হয়ে যায় যা ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। এছাড়াও মোবাইল এখানে সেখানে রাখার ফলে বিভিন্ন জীবাণু মোবাইল এর মাধ্যমে ত্বকে ছড়িয়ে যেতে পারে, এতে আপনার ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

৯. ঝগড়া করা

আমাদের সমাজে অনেক মানুষ আছে যাদের ঝগড়া করার অভ্যাস রয়েছে। কারণে অকারণে, বুঝে না বুঝে তারা ঝগড়া করবেই। মেজাজ খিটখিটে থাকলে এমনটা হতে পারে।

মন মেজাজ খিটখিটে থাকলে সেটা মানসিক স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়, পাশাপাশি ত্বকেরও ক্ষতি সাধন করে থাকে।

তাই যাদের এই অভ্যাস আছে কিংবা যাদের মেজাজ খিটখিটে তাদের অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ।

 

আরও পড়ুন,

 

*নিচের বাটনে ক্লিক করে আপনার প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন*

Check Also

How to convert white hair into black naturally

সাদা চুল কালো করার ঘরোয়া উপায়

সংসারের চিন্তা, পড়াশুনা নিয়ে চিন্তা, অফিসের কাজ নিয়ে চিন্তা এরকম হাজারও চিন্তা মাথায় নিয়ে ঘুরে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!