Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net

পাসপোর্ট করার নতুন নিয়ম বিস্তারিত জেনে নিন আজকেই

হজ্জে যাওয়া থেকে শুরু করে পৃথিবীর যেই দেশেই যেতে চান না কেন এই প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপটাই হচ্ছে পাসপোর্ট। আমাদের সবার ন্যাশনাল আইডি কার্ড আছে এটি যেমন আমাদের বাংলাদেশী পরিচয় বহন করে ঠিক তেমনি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই পাসপোর্ট আপনার আমার পরিচয় বহন করবে।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র কোন কাজে দেবে না। আপনি বাংলাদেশের নাগরিক এটি প্রমাণ করতে পাসপোর্ট এর প্রয়োজন পড়বে। চলুন জেনে নেয়া যাক, পাসপোর্ট আবেদন ফর্ম কোথায় পাবেন?

How to get a passport in easy way, পাসপোর্ট করার নতুন নিয়ম, পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগবে, পাসপোর্ট পেতে কতদিন লাগবে

পাসপোর্ট আবেদন ফরম কোথায় পাওয়া যায়?

পাসপোর্ট আবেদন ফরম দেশের যে কোন পাসপোর্ট অফিসে পাওয়া যায়। পাসপোর্ট অধিদপ্তরের  আঞ্চলিক অফিস থেকে শুরু করে প্রধান কার্যালয়ে এই ফরম পাওয়া যায় খুব সহজেই।

আঞ্চলিক অফিস কিংবা প্রধান পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য নিচের PDF ফাইলটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

PDF ফাইলটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

অথবা সরাসরি নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

http://www.passport.gov.bd/Reports/BGD_MRP_Contact.PDF

বর্তমানে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আবেদন করলে অথবা কোন ইনফর্মেশন চাইতে গেলে দীর্ঘ লাইন কিংবা দালালের কবলের পড়ার সম্ভাবনা থাকে তাই যাবতীয় তথ্য আপনি চাইলে এই লেখা থেকে জেনে নিতে পারেন।

পাসপোর্ট অফিসে না গিয়ে আপনি চাইলে নিচের লিংক থেকে আবেদন ফরমটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন এবং প্রিন্ট করতে পারেন।

আবেদন ফরমটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

অথবা নিচের লিংকে ক্লিক করুন

http://www.passport.gov.bd/Reports/MRP_Application_Form[Hard%20Copy].pdf

বর্তমানে অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করার সুবিধা রয়েছে। নানা ধরণের ঝামেলা থেকে রক্ষা পেতে আপনি চাইলে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। সম্ভবত এটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

অনলাইনে আবেদন করতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

পাসপোর্ট এর প্রকারভেদ

বাংলাদেশে সাধারণত দুই ধরণের পাসপোর্ট করা হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে হাতে লেখা পাসপোর্ট এবং অন্যটি হচ্ছে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা MRP (Machine Readable Passport)

কিন্তু বর্তমানে হাতে লেখা পাসপোর্ট আর কোন কাজে ব্যবহার করা যাচ্ছে না বা নতুন করে এ ধরণের পাসপোর্ট দেয়া হচ্ছে না। এই নিয়মটি ২০১২ সাল থেকে চালু করা হয়েছে। যাদের হাতে লেখা পাসপোর্ট আছে তাদেরকে MRP পাসপোর্ট এ কনভার্ট করে নিতে হচ্ছে।

মেশিন রিডাবল পাসপোর্ট এর একটি বৈশিষ্ট্য হল, এটিতে একটি ইলেক্ট্রনিক চিপ লাগানো থাকে, যার মধ্যে একজন মানুষের সব ধরণের তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে। এবং একটি বিশেষ ধরণের মেশিন সেসব তথ্য পড়তে পারে। এ কারণে এর নাম দেয়া হয়েছে MRP অর্থাৎ Machine Readable Passport.

পাসপোর্ট আবেদনের পদ্ধতি

পাসপোর্ট আবেদন থেকে শুরু করে হাতে পাসপোর্ট হাতে পাওয়া পর্যন্ত মোট পাঁচটি ধাপ অনুসরণ করতে হয়। আসুন জেনে নেয়া যাক, কি সেই ৫টি ধাপ?

প্রথম ধাপ- টাকা জমা দেয়া (পাসপোর্ট ফি)

সশরীরে অফিসে গিয়ে আবেদন করার জন্য কিংবা অনলাইনে আবেদন করার জন্য প্রথমে ব্যংকে পাসপোর্ট ফি জমা দিতে হয়। পাসপোর্ট ফি জমা দেয়ার কাজটি আপনাকে সশরীরে ব্যাংকে উপস্থিত থেকে করতে হবে।

পাসপোর্ট ফি জমা দেয়া হয়ে গেলে আপনাকে একটি রিসিট প্রদান করা হবে। ফি জমাদানের তারিখ এবং রিসিট নম্বর আপনাকে সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ আবেদন ফরম পূরণ করার সময় এই তথ্যদুটির প্রয়োজন হবে।

যেসকল ব্যংকে পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন তার লিস্ট নিচে দেয়া হল-

    • ওয়ান ব্যাংক 
    • সোনালী ব্যাংক
    • ব্যাংক এশিয়া
    • ট্রাস্ট ব্যাংক
    • ঢাকা ব্যাংক
    • প্রিমিয়ার ব্যাংক

এসকল ব্যংকের যে কোন শাখায় আপনি পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন। উপরোক্ত ব্যাংকগুলো ছাড়া অন্য কোন ব্যাংককে এই টাকা জমা নেয়ার অনুমতি দেয়নি পাসপোর্ট অধিদপ্তর।

নতুন পাসপোর্ট বা নবায়ন করার জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ফি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। সাধারণত ১ মাসের মধ্যে রেগুলার পাসপোর্ট পাওয়া যায় যা নির্ধারিত ফি ৩৪৫০ টাকা এবং আর্জেন্ট পাসপোর্ট এর জন্য নির্ধারিত ফি ৬৯০০ টাকা যা ১০ দিনের মধ্যে পাওয়া যায়।

আপনি চাইলে নিচের ছবিটি থেকে পাসপোর্টের ধরণ এবং ফি দেখে নিতে পারেন।

পাসপোর্ট ফি, passport fee

দ্বিতীয় ধাপ- ফরম পূরণ করা

অনলাইনে সাধারণত দুই ভাবে ফরম পূরণ করা যায়।

১. প্রথমে, এডিট করা যায় ঐ আবেদন ফরমটি ডাউনলোড করে নিতে হবে তারপর প্রয়োজনীয় সবগুলো ঘর পূরণ করে সাথে সাথে প্রিন্ট করতে হবে।

সাথে সাথে প্রিন্ট করার কারণ হচ্ছে এই আবেদন ফরমটি পূরণ করার পর সেভ করা যায় না। এবং অবশ্যই এপিঠ ওপিঠ করে দুই পাতায় মোট চার পৃষ্ঠা কালার বা রঙ্গিন প্রিন্ট করতে হবে।

আবেদন ফরমটি ডাউনলোড করার জন্য এখানে ক্লিক করুন

অথবা নিচের লিংকে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিতে পারেন

http://dip.portal.gov.bd/sites/default/files/files/dip.portal.gov.bd/forms/1814a4e6_495e_4dfa_b013_537f4cb297c0/Editable_MRP_Application_Form%5BHard%20Copy%5D_converted.pdf

২. সরাসরি পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনালাইন আবেদন ফরমটি পূরণ করা যায়। তবে ফরম পূরণ করার পর সেভ এবং সাবমিট করা হয়ে গেলে ফরমটি আর সংশোধন করার কোন ধরণের সুযোগ থাকে না। তাই সেভ এবং সাবমিট এ ক্লিক করার পূর্বে অবশ্যই ৩-৪ বার যাচাই করে নেয়া উচিৎ।

যখন সেভ এবং সাবমিট হয়ে যাবে তখন একটি PDF ফাইল আপনার সামনে চলে আসবে, আপনি চাইলে সাথে সাথে প্রিন্ট করে রেখে দিতে পারেন (এপিঠ ওপিঠ প্রিন্ট করতে হবে) অথবা PDF ফাইলটি ডাউনলোড করে স্মার্টফোন অথবা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করতে পারেন।

অনলাইন আবেদন পূরণ করার জন্য নিচে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট দেয়া হল-

http://www.passport.gov.bd/

পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণের নিয়মাবলী

১. অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করার পূর্বে কিছু তথ্য বা নিয়ম দেয়া থাকবে, তা মনোযোগ সহকারে ১-২ বার পড়ে নিতে হবে। তারপর নিচে একটি লেখা থাকবে “I have read the above information and the relevant guidance notes.” এই লেখার শুরুতে একটি ঘর থাকবে সেখানে টিক দিতে হবে।

তারপর ডানদিকের CONTINUE TO ONLINE ENROLLMENT অপশনে ক্লিক করতে হবে তাহলে চলে আসবে পাসপোর্ট আবেদন করার কাঙ্ক্ষিত ফরম।

২. ফরমটিতে কিছু লাল স্টার চিহ্ন দেখতে পাবেন, এর অর্থ হচ্ছে লাল স্টার চিহ্ন দেয়া ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে। 

৩. সম্পূর্ণ ফরম ক্যাপিটাল লেটার অর্থাৎ বড় হাতের অক্ষরে লিখতে হবে। নামের জায়গায় শুধু পুরো নাম ব্যবহার করতে হবে। কোন ধরণের পদবী উল্লেখ করা যাবে না। মা বাবা যদি মৃত হয় তবে তাদের নামের পূর্বে “Late” শব্দ ব্যবহার করা যাবে না।

নামের একাধিক অংশ থাকলে একটি ঘর ফাকা রেখে পরবর্তী অংশ লিখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ নিচের ছবিটি দেখে নিতে পারেন। এই অপশনটি থাকবে ফরমের ৩ নম্বর অংশে।

৪. পাসপোর্ট টাইপ এর ঘর সাবধানতার সাথে পূরণ করা জরুরী। আপনি এখানে তিনটি অপশন দেখতে পাবেন, ১. Ordinary, ২. Diplomatic, ৩. Official

সাধারণ পাসপোর্ট এর জন্য Ordinary সিলেক্ট করতে হবে। এখানে ডেলিভারী টাইপ অপশন দেখা যাবে, রেগুলার এবং এক্সপ্রেস, সাধারণ হলে রেগুলার এবং জরুরী হলে এক্সপ্রেস সিলেক্ট করে দিতে হবে।

৫. Birth ID Number, এখানে আপনার জন্মসনদের রেজি নম্বর দিতে হবে

৬. Citizenship Status কোন সুত্রে আপনি বাংলাদেশের নাগরিক সেটি উল্লেখ করতে হবে।

      • যদি আবেদন করে নাগরিকত্ব পেয়ে থাকেন তবে Naturalization অপশন সিলেক্ট করতে হবে।
      • যদি মাতা-পিতা সুত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকেন তবে Parentage সিলেক্ট করতে হবে।
      • স্থানান্তর সূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হলে Migration সিলেক্ট করতে হবে।
      • জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব হয়ে থাকে তবে Birth অপশন সিলেক্ট করে দিতে হবে।
      • উপরের একটিও না হলে Others অপশন সিলেক্ট করে লিখে দিতে হবে।

৭. বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছাড়াও অন্য কোন দেশে যদি আপনার নাগরিকত্ব থেকে থাকে তবে Dual Citizenship এর ঘরে Yes সিলেক্ট করে দিতে হবে এবং যে দেশের নাগরিকত্ব আছে সে দেশের নাম ও ঐ দেশের পাসপোর্ট নম্বর প্রদান করতে হবে আর যদি অন্য কোন দেশের নাগরিকত্ব না থাকে তবে No সিলেক্ট করে দিতে হবে।

৮. আপনার যদি আগে পাসপোর্ট করা থাকে তবে Old Passport Information এর ঘরগুলো আগের পাসপোর্ট অনুসারে পূরণ করতে হবে।

৯. Payment Type এই ঘরে আপনাকে Non-Online অপশনটি সিলেক্ট করে দিতে হবে। কারণ আপনি ব্যংকে সশরীরে উপস্থিত থেকে পাসপোর্ট ফি জমা দিয়েছেন।

১০. আবেদন পত্রের ২৪ নম্বর পয়েন্টে যেসকল কাগজপত্র আবেদনের সাথে জমা দেবেন সেগুলো টিক দিয়ে রাখতে হবে।

১১. যদি এডিটাবল ফরমে আবেদন ফরম পূরণ করেন তবে সকল তথ্য পূরণ করার পর প্রিন্ট করে ১ নং ঘরে আবেদনকারীর নাম বাংলায় হাতে লিখে দিতে হবে।

১২. মনে রাখা জরুরী, অনলাইনে আবেদন জমা দেয়ার পর পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে আপনাকে সশরীরে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আপনার প্রিন্ট করা আবেদন ফরমটি জমা দিতে হবে।

সবগুলো পয়েন্টের সম্পূর্ণ গাইডলাইনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

তৃতীয় ধাপ- আবেদন পত্র জমা দেয়ার পূর্বে যা করতে হবে

১. যেসকল জায়গায় সাক্ষর চাওয়া হয়েছে সেসব জায়গায় আপনার সাক্ষর প্রদান করতে হবে।

২. আবেদন কারীর সদ্য তোলা ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি তুলে রাখতে হবে। স্টুডিওতে গেলে কিভাবে ছবি তুলতে হবে স্টুডিও এর লোকেরাই বলে দেবে। আবেদনকারী যদি অপ্রাপ্তবয়স্ক হয়ে থাকে তবে মা বাবার একটি করে ছবি তুলে রাখতে হবে।

৩. ফাস্ট ক্লাস অফিসার দ্বারা আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের অথবা জন্মসনদের ফটোকপি সত্যায়িত করে নিতে হবে।

৪. চেয়ারম্যান/ ওয়ার্ড কমিশনার প্রদত্ত সনদ/ ভোটার আইডি কার্ড এবং পানির বিল/ গ্যাস বিল/ বিদ্যুৎ/বিল/ বাড়ির দলিল ইত্যাদির ফটোকপি সংগ্রহ করে রাখতে হবে।

৫. আপনি যদি বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের চাকুরীজীবী হয়ে থাকেন তবে সেই কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করে রাখতে হবে।

৬. আপনি যদি ছাত্র/ছাত্রী হয়ে থাকেন তবে আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করে রাখতে হবে।

৭. সত্যায়িত কপির সিল এবং সাক্ষর এমন হতে হবে যেন অর্ধেক সিল এবং সাক্ষর আপনার ছবির উপরে থাকে এবং বাকি অর্ধেক কাগজের উপর থাকে।

৮. ব্যংক থেকে পাওয়া রিসিট আঠা দিয়ে আবেদন ফরমের সাথে যুক্ত করে দেয়া যাবে না।

যেসকল ব্যক্তিবর্গ পাসপোর্টের আবেদনপত্র সত্যায়িত করতে পারবেন-

    • সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
    • সংসদ সদস্য
    • কাউন্সিলরগণ
    • ডেপুটি মেয়র
    • ডেপুটি কাউন্সিলরগণ
    • গেজেটেডড কর্মকর্তা
    • পাবলিক বিশ্বিদ্যালয়ের শিক্ষক
    • পৌরসভার মেয়র
    • পৌর কাউন্সিলর
    • বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক
    • উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
    • উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান
    • ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
    • বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ
    • জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক
    • বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
    • নোটারী পাবলিক ও আধা সরকারী/ স্বায়ত্বশাসিত / রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাতীয় বেতন স্কেলের ৭ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তাগণ

চতুর্থ ধাপ- পাসপোর্ট আবেদন ফরম জমা প্রদান

পাসপোর্ট আবেদন ফরম জমা প্রদান করতে সকাল সকাল যাওয়া উচিৎ কারণ দেরীতে গেলি দীর্ঘ লাইন থাকতে পারে। পাসপোর্ট আবেদন ফরম জমা প্রদান যেদিন করবেন সেদিন আবেদন ফরম জমা দেয়াই শুধু নয় আরও কিছু কাজ আছে, যেমন আঙ্গুলের ছাপ নেয়া, ছবি তোলা ইত্যাদি।

তাই সাদা মাটা পোশাক পরিধান না করে ফরমাল পোশাক পড়ে যাওয়াই উচিৎ। আর একটি কাজ হচ্ছে পুলিশ ভেরিফিকেশন, অর্থাৎ আপনার নামে কোন মামলা আছে কি না ইত্যাদি যাচাই বাছাই করা হয়।

অফিসে উপস্থিত হয়ে অন্য কাউকে ফরম জমা প্রদানের বিষয়টি না জানিয়ে উপস্থিত সেনা সদস্যকে জানাতে পারেন। কারণ অন্যদের জানালে দালালের কবলে পড়ার সম্ভবনা থাকতে পারে।

পঞ্চম ধাপ- পাসপোর্ট সংগ্রহ করা

পাসপোর্ট রেডি হয়ে গেলে পাসপোর্ট অফিস থেকে আপনার মোবাইলে একটি ম্যাসেজ আসবে। সেই মেজেস অনুযায়ী অফিসে গিয়ে আপনার কাঙ্ক্ষিত পাসপোর্টটি নিয়ে আসতে পারবেন। 

সবারই কোন না কোন আশা থেকেই থাকে, কেউ বিদেশ ঘুরতে যেতে চায়, কেউ বা পড়তে, কেউ বা হজ্জ করতে আবার কেউ বা চাকুরী করতে।

যে যেই আশাই করুক না কেন বিদেশে যেতে চাইলে অবশ্যই পাসপোর্ট এর প্রয়োজন পড়ে। তাই অল্প কিছু টাকা খরচ করে হলেও একটা পাসপোর্ট করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। আপনার জীবন সুন্দর এবং আনন্দময় হোক এটাই কামনা।

 

আরও পড়ুন,

 

*পোস্টটি শেয়ার করার অনুরোধ রইলো*

Check Also

What is Google Drive, Why and How to Use Google Drive

Google Drive কি? কেন এবং কিভাবে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করবেন?

ক্লাউড কম্পিউটিং এর সাথে আমরা অনেকেই হয়তো পরিচিত নই। ক্লাউড কম্পিউটিং জগতে যতগুলো সেবা রয়েছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!